আগের মত মিড ডে মিল এর চাল দেবেনা সরকার
বদলে গেল নিয়ম
ওয়েব ডেস্ক :- মিড ডে মিল খেলে আর খেতে হবে না হরলিক্স-কম্প্ল্যান। জেনে নিন সরকারি বিজ্ঞপ্তি।
কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয়ের সক্রিয় প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়গুলি এখন হয়েছে স্বয়ং সম্পূর্ণ। মিলছে মিড ডে মিল, ব্যাগ, জুতো, আধুনিক মানের স্কুল ড্রেস, সাইকেল ইত্যাদি। আর শিক্ষাকে ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে তো অনেক আগে থেকেই। সাথে শুধু খিচুড়িই নয়, এখন মিড ডে মিলে মিলছে দুপুরের রকমারি সুস্বাদু খাবার একেবারে রুটিন করে।
তবে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বরাদ্দ 4.97 টাকা এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মেলে মাত্র 7.45 টাকা। এই কম বরাদ্দে বেড়ে যাওয়া দ্রব্যমূল্যের বাজারে রুটিনে থাকছে নিয়ম করে গোটা ডিম, বেশি দামের সবজি, সয়াবিন। উপরি গ্যাসের দামও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই বিষয়ে শিক্ষক মহাশয়দের কুর্নিশ জানাতেই হয়।
শিশুদের সঠিক সময়ে পুষ্টি খুবই দরকার। কারণ এই বয়স হল বেড়ে ওঠার বয়স। বুদ্ধির বিকাশের এক বিশেষ সময়। রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিলেবাসের ক্ষেত্রেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। এবারে শিশুদের মিড ডে মিলের চালের ক্ষেত্রেও আনা হচ্ছে আমূল পরিবর্তন,যা এক নতুন দিগন্তের সন্ধান দিচ্ছে।
সুষম খাবারের অভাবে দেখা দেয় অপুষ্টি। ফলে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ব্যাহত হয়। তাই এবারে আর শিশুদের নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হবে না। কৃষি গবেষণায় দেশে এসেছে অমূল পরিবর্তন। আবিষ্কার হয়েছে নতুন নতুন চাষ প্রক্রিয়া আর নতুন প্রজাতির ফসল। সেই আবিষ্কারের সুফলকে কাজে লাগাচ্ছে রাজ্য সরকার।
শিশুদের অপুষ্টি জনিত সমস্যাকে নির্মূল করার লক্ষ্যে মিড ডে মিল প্রকল্পে আনা হচ্ছে বদল। আগে নতুন মাস শুরুর আগেই স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরের গোডাউন থেকে স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হত মাসের বরাদ্দ অনুযায়ী চাল। কিন্তু এখন আর তা করা হবে না।
এবারে জানা গেছে যে, সমস্ত বিদ্যালয়ে এবারে চালের সাথে মেশানো হবে অন্য এক ধরণের আলাদা চাল। তো কি সেই চাল। এই নতুন ধরণের চালের পুষ্টিগুণ সাধারণ চালের থেকে বহুগুণ বেশি। এর মধ্যে থাকবে ভিটামিন B12, Folic Acid আর আয়রণ যা শিশুদের জন্য খুবই প্রয়োজন।

