Saturday, March 14, 2026
- Advertisement -

ভারতের বৃহত্তম হাতে আঁকা টিফো – স্বাধীনতা আন্দোলনের এক টুকরো ইতিহাস 

- Advertisement -

ভারতের বৃহত্তম হাতে আঁকা টিফো – স্বাধীনতা আন্দোলনের এক টুকরো ইতিহাস

যখন ইতিহাস বিষাক্ত ছবি, পোস্টার আর ব্যানারের মধ্য দিয়ে কথা বলে তখনই রচিত হয় টিফো। ঘরের মাঠে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ম্যাচে ইতিহাস তৈরি করল মোহনবাগানের ফ্যান ক্লাব ‘মেরিনার্স বেস ক্যাম্প’। সেখানে ধরা রইল ১৯১১-র সোনালি ইতিহাসও। গোলপোস্টের পিছনের বি৩ স্ট্যান্ড ও বি২ গ্যালারি থেকে নেমে এল ২৫০০০ স্কোয়ার ফুটের বিশাল টিফো। ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ১৯১১ সালে মোহনবাগানের শিল্ডজয়। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নতুন আগুন জুগিয়েছিল খালি পায়ে এগারোজন বাঙালির সাফল্য। সেই ইতিহাস আবার ফিরে এল যুবভারতীতে। মেরিনার্স বেস ক্যাম্পের বিরাটাকার টিফো ধরল সেই লড়াইয়ের কাহিনি। ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার থেকে একত্রিত হল বাঙালি। শুরু হল খালি পায়ে গোরাদের সঙ্গে ফুটবল যুদ্ধের প্রস্তুতি। অবশেষে ফাইনালে ইস্ট ইয়র্কশায়ারকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডজয়। এই পুরো ইতিহাস ধরা রইল টিফোতে। সঙ্গে লেখা, ‘আমাদের ঐতিহ্য শুধু ইতিহাসের অংশ নয়, বরং ভারতের হৃদস্পন্দনের সঙ্গে তা জড়িয়ে’। এভাবেই স্মরণীয় হয়ে রইলো বিশ্বের বৃহত্তম টিফো।

ভারতবর্ষের অন্যতম প্রাচীন ক্লাব মোহনবাগান । তাদের ‘সোনার’ ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই বিশাল টিফোতে । প্রায় 20 দিন ধরে এই টিফো বানানো হয়েছে । দিনরাত এক করে 20 জন সদস্য পড়ে থেকেছেন এই টিফো বানানোর কাজে ৷ কার্যত অসাধ্যসাধন করেছেন শুভজিৎ কুণ্ডু এবং শিল্পকলার ছাত্ররা । দূরদূরান্ত থেকে এসেও টিফো বানানোর কাজে হাত লাগিয়েছিলেন অনেকে । মোহনবাগান সমর্থক তন্ময় জানালেন, ‘‘আমাকে সময় বের করার উপায় খুঁজে বের করতে হয়েছিল । আমরা সকালে শুরু করতাম এবং রাত 2টো পর্যন্ত কাজ করতাম ৷ অন্যরা সারা রাত এটি পাহারা দেওয়ার জন্য থাকত ।’’ শুধু মোহনবাগানের ইতিহাস সমৃদ্ধ টিফোই নয়, টুটু বসুর জন্যও টিফো নামল যুবভারতীতে । সেই টিফো বানিয়েছে মেরিনার্স এরিনা । ক্লাব সভাপতি টুটু বসুর ক্লাবের প্রতি অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে এই টিফোতে । সি2 গ্যালারিতে দেখা গেল এই টিফো ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments