স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয়েছে রেলের তরফ থেকে আন্ডার পাস। অথচ সামান্য বৃষ্টিতেই রেলের তরফ থেকে বানানো আন্ডার পাশেই হাঁটু সমান জল। আর যার জেরে আন্ডার পাশ দিয়ে যাতায়াত কার্যত একপ্রকার অসম্ভব হয়ে উঠেছে। এই ছবিটা জলপাইগুড়ি জেলার পাহাড়পুর বড়ুয়াপাড়া এলাকার। অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রেলের আন্ডার পাশ দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে নিত্য দিনের যাতায়াত। আর যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটতেছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। যদিও এই বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রেল দপ্তরের আধিকারিকরা সমস্ত বিষয়ে জানলেও নেয়নি কোন এখনো পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ।
আর তাই প্রতিনিয়ত দূর দুরান্ত থেকে আসা পথচারীরা এক হাঁটু জল দিয়েই পারাপার করতে দেখা যাচ্ছে। আবার কখনো কখনো দেখা যাচ্ছে রেলের আন্ডার পাশে জল জমে থাকার ফলে রেলের মূল রাস্তার উপর দিয়ে পারাপার করতে। তাতেই আশঙ্কা করা হচ্ছে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। তবুও হুশ নেই রেল দপ্তরের আধিকারিকদের।
তবে এই বিষয়ে এলাকার বাসিন্দারা জানান”বিগত বেশ কিছু বছর ধরে এই আন্ডার পাশ দিয়ে এভাবেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে প্রায় চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। তবে এর আগে সেই আন্ডার পাশে জমে থাকা জল বের করার জন্য একটি জেসিবি লাগানো হয়। কিন্তু সেই আন্ডার পাসের জল বের করার জন্য অন্য কোন বিকল্প না থাকলেও” সেই সময় আন্ডার পাশেই বেশ কয়েকটি বড় বড় গর্ত করে রাখে। আর সেই গর্তগুলোতেই সামান্য বৃষ্টি হলেই এক হাঁটু জল জমে থাকলে বুঝার উপায় নেই। আন্ডার পাশে কোথায় গর্ত আছে? আর রোজ দিন দূর দুরান্ত থেকে আসা পথচারীরা সেই গর্ত বুঝতে না পেরে” হাটু সমান জলের ভিতরে গর্তগুলোতেই প্রতিনিয়ত পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছে।

