সেনার বেপরোয়া গাড়ি আটকে ছিল পুলিশ ! সেই
পুলিশের অবৈধ গাড়ির ধাক্কায় এবার বাইক চালকের মৃত্যু
মনিপুষ্পক খাঁ, নিউজডেস্ক : বিভিন্ন দুর্ঘটনায় যদি কারো মৃত্যু হয়, কোনও গাড়ি যদি কলকাতার রাস্তায় হাই স্পিডেও যায়, তাহলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে এখন যথেষ্ট সচেনত এই ট্রাফিক বিভাগ। কিন্তু আজকের পর প্রশ্ন উঠছে, সব ঘটনার ক্ষেত্রেই কি কলকাতা পুলিশ সমানভাবে কড়া? নাকি কলকাতা পুলিশ বিভিন্ন ঘটনার সাপেক্ষে বিচার করে আলাদা আলাদা ঘটনা ব্যবস্থা নিচ্ছে ?
প্রশ্ন উঠেছে কারন আজ সকালেই ভারতীয় সেনার একটি ট্রাক বেপরোয়া গতিতে চলছিল অভিযোগ করে তা আটকায় কোলকাতা পুলিশ, মামলাও রুজু করে তাঁরা। অন্যদিকে এদিনই তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লার কনভয়ের পুলিশের পাইলট কারের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে এক বাইক আরোহীর। অবাক করার বিষয় পুলিশের সেই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ২০২৪ সালের ১০ অগাস্ট বাতিল হয়ে গেছে ! এক বছর আগেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও পুলিশের গাড়ি বলেই কি সাতখুন মাফ? তা অবৈধ ভাবেই রাস্তায় চালানো যায়? প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছেন আমজনতা।
জানা গেছে,২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই পুলিশের গাড়িটিকে লক করে দেয় পরিবহণ দফতর। অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানোর অভিযোগে লক করা হয়েছিল। বাইকে ধাক্কা মারা পুলিশের গাড়ির বিমা সংক্রান্ত তথ্য পরিবহণ দফতরের কাছেই নেই। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, এই ঘটনায় পুলিশ কী ব্যবস্থা নেবে? ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকা একটা গাড়ি রাস্তায় নামল কী করে ? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। লালবাজারে যত গাড়ি কেনা হয় তা কমিশনার অফ পুলিশের নামে রেজিস্ট্রেশন হয়। এরকম একটা গাড়ির ফিটনেস না থাকা সত্ত্বেও রাস্তায় নামছে, রাস্তায় চলছে এবং তার ধাক্কায় মানুষ মারা যাচ্ছে। তাহলে এর দায় কে নেবে তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে। বলাবাহুল্য সকালে সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি সিসি টিভির ফুটেজ প্রকাশ করেছিল পুলিশ, এক্ষেত্রে তাও করে নাই তারা। কেন এই পক্ষপাত মূলক আচরণ ?
সাংবাদিক বৈঠকে এরমই কিছু প্রশ্নের উত্তরে কলকাতা পুলিশের ডিসি ট্রাফিক ওয়াই শ্রীকান্ত বলেছেন, “ওখানকার সি সি টিভি ফুটেজ আমরা খতিয়ে দেখছি। যখন অ্যাভেলেবেল হবে তখন প্রকাশ করব। তদন্ত চলছে।

