Monday, April 20, 2026
- Advertisement -

শাল-পিয়ালের বনে ‘তেপান্তর গ্রাম’ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে

- Advertisement -

 

শাল-পিয়ালের বনে ‘তেপান্তর গ্রাম’ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে

এমনিতেই ‘তেপান্তর’ বলতে আমরা বহুদূরে উদ্দেশ্যহীন, জনমানব হীন কোনো গ্রাম বুঝি। কিন্তু সত্যি এই বাংলায় আছে এক ‘তেপান্তর’ গ্রাম – যা বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার সঙ্গমে অবস্থিত। ভ্রমণ  পিপাসুদের কাছে এক  অসাধারণ অফবিট ডেস্টিনেশন। গরম চাঁদিফাটা গরম। আর শীতে হাড় কাঁপুনি ঠান্ডা। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম বেড়ানোর তাই আদর্শ সময় এই বর্ষাকাল। বৃষ্টিতে গরমের দাপট অতটা থাকে না। লাল মাটির জেলা কাজেই হাঁটু জল-কাদা এসবের ভয় নেই। আর গরমে শুকিয়ে যাওয়া শাল-পিয়ালের জঙ্গল এই সময় আরও সবুজ হয়ে ওঠে। তার উপরে সুন্দর রাস্তা। যাতায়াতেরও কোনও সমস্যা নেই কলকাতা থেকে বেশি দূরেও নয়। একেবারে পারফেক্ট ডেস্টিনেশন বললে ভুল হবে না। প্রকৃতি নিজেকে নিরূপমভাবে সাজিয়ে অপেক্ষা করছে আপনার জন্য।

আপনি কি জানেন, পুরুলিয়ােত-বাঁকুড়া রয়েছে তেপান্তর গ্রাম। তেপান্তর নামটা শুনেই অনেকেই বাঙালির মৌখিক কথা তেপান্তর অর্থাৎ উদ্দেশ্যহীন অজানা কোনও জায়গার কথা বোঝান। কিন্তু বাস্তবেই তেপান্তর যে রয়েছে সেটা পুরুলিয়ার এই গ্রামে এলেই বোঝা যাবে। এখানে রয়েছে সুন্দর একটি রিসর্ট। যেখানে সপ্তাহান্তের কয়েকটা দিন কাটিয়ে যাওয়া যায়। পলাশের জঙ্গলের ভেতরেই রয়েছে এই রিসর্ট। লাল মাটির মেঠো পথ দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। পশ্চিম বাঁকুডার একি আদিবাসী অধ্যুসিত এলাকা এই তেপান্তর গ্রাম। শালপিয়ালের জঙ্গলের মধ্যে অসাধারণ একটা জায়গা। ছোট ছোট কটেজ রয়েছে জঙ্গলের মধ্যে। রয়েছে কেভ হাউস। অর্থাৎ লাল ঢিবির নীচে ঘর তৈরি করা হয়েছে। যেমনটা গুহা হয়। সেখানে অবশ্য সব আধুনিক পরিষেবাই রয়েছে। আবার মাটির ঘরে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। আবার ট্রি হাউসও রয়েছে এখানে।

যাওয়া – তেপান্তরে আসতে হলে আগে থেকে বুকিং করে আসতে হবে। কারণ এখানে খালি থাকে না। অনলাইনে বুক করা যায়। এখানে গাড়ি করে আসাই ভাল। কারণ তেমন ভাল বাসের যোগাযোগ নেই। তবে বাঁকুড়া থেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। আগে থেকে তার জন্য কথা বলে নেওয়া জরুরি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments