Tuesday, April 21, 2026
- Advertisement -

২০২৬-এর লক্ষ্যে বড় চাল! বাদ পড়া ৯১ লক্ষ ভোটারের হয়ে সওয়াল করে বিজেপিকে নিশানা অভিষেকের

- Advertisement -

২০২৬-এর লক্ষ্যে বড় চাল! বাদ পড়া ৯১ লক্ষ ভোটারের হয়ে সওয়াল করে বিজেপিকে নিশানা অভিষেকের।

অনন্যা ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। এই আবহে রাজ্যে প্রায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া নিয়ে সরব হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক বিশেষ আশ্বাস দিয়েছেন।

বীরভূমের সাঁইথিয়া এবং মুর্শিদাবাদের জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করেছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে (৪ মে সরকার গঠনের পর) যাদের নাম ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাদের ভোটাধিকার পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়াকে অভিষেক একটি “রাজনৈতিক চক্রান্ত” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং এই বিষয়টিকে আসন্ন নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেছেন।

অভিষেক কীভাবে একে “রাজনৈতিক চক্রান্ত” হিসেবে দেখছেন তা উল্লেখ করুন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই ৯১ লক্ষ মানুষ কি অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা? নাকি বিজেপি জেনেবুঝেই তৃণমূল সমর্থকদের নাম বাদ দিচ্ছে?

অভিষেক জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস একটি লিগ্যাল সেল বা আইনি সহায়তা কেন্দ্র খুলেছে, যেখানে ট্রাইব্যুনালে আবেদনের জন্য বিনামূল্যে আইনি সাহায্য পাওয়া যাবে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে সংবাদটি অত্যন্ত আলোচিত। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় আশ্বস্ত করেছেন যে, যদি তৃণমূল কংগ্রেস পুনরায় ক্ষমতায় আসে, তবে এক মাসের মধ্যে সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে ।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে সংবাদটি অত্যন্ত আলোচিত। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় আশ্বস্ত করেছেন যে, যদি তৃণমূল কংগ্রেস পুনরায় ক্ষমতায় আসে, তবে এক মাসের মধ্যে সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মা-মাটি-মানুষ’ সরকার ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে (তথা ৪ মে সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে) তাদের ভোটাধিকার পুনরায় নিশ্চিত করা হবে । তিনি জনগণকে আতঙ্কিত না হতে পরামর্শ দিয়েছেন এবং বলেছেন, “আপনারা এই দেশের এবং এই রাজ্যের নাগরিক, কেউ আপনাদের অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।

SIR প্রক্রিয়া ও তৃণমূলের অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি অনুযায়ী, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৯০-৯১ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে । অভিষেকের অভিযোগ অনুযায়ী, বাদ পড়া এই ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৬৩ শতাংশ (প্রায় ৫৭.৫ লক্ষ) হিন্দু বাঙালি ভোটার রয়েছে। তিনি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে প্রশ্ন তুলেছেন যে, এই ৯১ লক্ষ মানুষ কি তাহলে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা? তার মতে, এটি ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার একটি “পরিকল্পিত চক্রান্ত।

প্রেক্ষাপট ও স্থান

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমের সাঁইথিয়ার মতো বিভিন্ন জনসভায় এই বক্তব্য পেশ করেছেন ।

তিনি ভোটারদের অনুরোধ করেছেন যে, যাদের না বাদ গিয়েছে তারা যেন ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন এবং এই লড়াইয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সম্পূর্ণ আইনি সহায়তা দেবে ।

 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘এক মাসের ডেডলাইন’ মূলত ভোটারদের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেওয়ার একটি কৌশল। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়াকে স্রেফ একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি না বলে, তৃণমূল একে সরাসরি ‘নাগরিকত্বের অধিকারের ওপর আঘাত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে এই আবেগপ্রবণ ইস্যুটি একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের মনে সুরক্ষার আশ্বাস দিচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই বাংলার ভোটারদের জনমতের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments