‘ভুতুড়ে ভোটার’ – মমতার বার্তা
বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১৯ হাজার নেতা কর্মীর সামনে মমতা খেললেন সোজা ব্যাটে। তিনি ২০২৬ নির্বাচকে সামনে রাখে বললেন ‘খেলা হবে’। কিন্তু প্রথম থেকেই ভুতুড়ে ভোটার নিয়ে তিনি ছিলেন সরব। বাংলায় এজেন্সি পাঠিয়ে বিজেপির তরফে ভোটার তালিকায় কারচুপি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি তৃণমূল নেত্রীর।
নির্বাচন কমিশনে সব বিজেপির লোক রয়েছে বলে দাবি মমতার। আর তাই ‘ভুতুড়ে’ ভোটার ধরতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি গড়ার কথা ঘোষণা মমতার। সাত দিনের মধ্যে কোর কমিটি গঠন করার নির্দেশ মমতার। দলের যুব নেতাকর্মীদের মমতার স্পষ্টতই নির্দেশ, ভোটার লিস্টের কারচুপি ধরার কাজ করতে হবে। মমতা জানান, “তিন দিন পর পর ভোটার তালিকায় কারচুপি সংক্রান্ত ইনফরমেশন দিতে হবে পার্টি অফিসে। তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সির কাছে পাঠাতে হবে তথ্য।”
এর আগে একাধিকবার মমতা বলেছিলেন, বিজেপি বিহার থেকে ভোটার আনাচ্ছে। এদিন তাঁর স্বর ছিল আরও উচ্চগ্রামে। মমতা বলেন, “ভোটার লিস্ট ক্লিন করতে হবে। দিল্লিতে বসে এজেন্সিকে দিয়ে বিএলআরও-দের সঙ্গে নিয়ে অনলাইনে কারসাজি করা হয়েছে। বাংলায় লোক যাতে ভোট দিতে না পারে, একই এপিক কার্ডে বাইরের লোকের নাম তুলেছে।”
কারচুপি ধরতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি গড়ে মমতা বলেন, “ওই কমিটি ভোটার তালিকা নিয়ে কাজ করবে। তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।”ভুতুড়ে ভোটার ধরার মধ্য দিয়েই কার্যত বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভোটের আগে কর্মীদের ভোটার তালিকা সাফাই অভিযানে তাই ঝাঁপিয়ে পড়তে বললেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০ দিনের ডেডলাইনও বেঁধে দেন মমতা। কমিটি যদি কাজ না করে, তাহলে ভুতুড়ে ভোটার বাছাইয়ের কাজ প্রয়োজনে নিজেই করবেন বলে জানান মমতা।

